- শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ

Adss
Advertisement
Download MP4 HD Download MP4 SD
  • QR code for mobile device to download HD video
  • QR code for mobile device to download SD video

Report this video

What is the issue? *

Flagged videos and users are reviewed by our staff 24 hours a day, seven days a week to determine whether they violate Community Guidelines. Accounts are penalized for Community Guidelines violations, and serious or repeated violations can lead to account termination.

সবে বারাত কাজটা ইরানিদের শবেবরাত নামে কোন ইবাদত ইসলামে নেই
শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ

Posted 4 months ago in OTHER
Ads
Advertisement

Amzad Hossain 4 months ago 11

আল্লাহ তা’লা কি শুধুমাত্র মধ্য শাবানের রাত্রিতে বান্দাকে ক্ষমার ঘোষণা দেন নাকি প্রতি রাতেই? এ কথা অনেকের কাছেই প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে যে, মধ্য শাবানের রাত্রে নাকি আল্লাহ তা’লা কাছের আসমানে চলে আসেন এবং তার বান্দাদেরকে ক্ষমা করে দেন বা ক্ষমার আহ্বান জানান।এ বিষয়ক হাদিসগুলো দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও অনেক মানুষ এই সত্যকে গ্রহণ করতে চান না। তাদের উদ্দেশ্যে বলবো বুখারি মুসলিমের নিম্নের হাদিসটি দেখুন তাহলে এই ভুল ভেঙ্গে যাবে, আল্লাহ তা’লা শুধুমাত্র মধ্য শাবানের রাত্রিতে নয় বরং প্রত্যেক রাতেরই শেষের দিকে কাছের আসমানে চলে আসেন এবং তার বান্দাদেরকে ক্ষমা করার আহ্বান জানান- আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا حِينَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الآخِرُ يَقُولُ مَنْ يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ مَنْ يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ মহান আল্লাহ প্রতি রাতে, রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকাকালে নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেনঃ কে আছে এমন, যে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছে এমন যে, আমার কাছে চাইবে? আমি তাকে তা দিব। কে আছে এমন, আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করব। (সহীহুল বুখারী : ১১৪৫, মুসলিম: ৭৫৮) বুখারি-মুসলিমের এই হাদিস স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, শুধু মধ্য শাবানের রাত্রিতে নয় বরং প্রত্যেক রাতেরই শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকাকালে মহান আল্লাহ নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে আহ্বান করতে থাকেন সুতরাং ইবাদত যদি করতেই হয় প্রতি রাতেই তোঁ করা উচিত কেন ১ রাতকে বেছে নিচ্ছেন?যখন বিদআত করতে নিষেধ করা হয় তখন একদল বলেন, আমরা ইবাদত করতে চাই তবুও এতো বাধা-নিষেধ কেন? তাদেরকে বলবো, ইবাদত নয় বিদআত বলে আপনাকে নিষেধ করা হয়, বুখারি- মুসলিমের হাদিস আপনাকে প্রতিরাতে ইবাদত করতে অনুপ্রানিত করছে, আল্লাহ তা’লাকে সন্তুষ্ট করার জন্য করেন কি আপনি প্রতি রাতে ইবাদত? সম্ভবত না অথচ সহিহ হাদিস থেকে যে রাতের কোন ইবাদতের প্রমাণই পাওয়া যায় না আপনি পড়ে আছেন সেই রাতকে নিয়েই।নিঃসন্দেহে আপনাকে এটা ভেবে দেখা উচিত।

Amzad Hossain 4 months ago 5

শবে বরাত প্রসঙ্গে শবে বরাত নামে পরিচিত(লাইলাতুন নিসফি মিন শাবানে) আমরা কি করতে পারি? প্রথম কথা হলো শবে বরাত ফারসি শব্দ, শবে বরাত নামে যে ভাগ্য রজনী মনে করা হয়, এই নামে কুরআন হাদিসে কোন কিছু নেই। লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান বা শাবানের মধ্যরাত্রির ব্যাপারে বেশ কিছু হাদিস বর্ণিত হয়েছে, বেশীরভাগ মুহাদ্দিস হাদিসগুলোকে বানোয়াট ও দুর্বল বলেছেন। সৌদিআরবের সন্মানিয় বিগত গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ বিন বাজ (রঃ) বলেন, এ ব্যাপারে বর্ণিত কোন হাদিসই বিশুদ্ধ নয়। বিপরীতে কিছু মুহাদ্দিস নিম্নে বর্ণিত হাদিসটিকে কেউ হাসান আবার কেউ সহিহও বলেছেন- আবু মূসা আল আশ’আরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘আল্লাহ তা‘আলা শাবানের মধ্যরাত্রিতে আগমণ করে, মুশরিক ও ঝগড়ায় লিপ্ত ব্যক্তিদের ব্যতীত, তাঁর সমস্ত সৃষ্টিজগতকে ক্ষমা করে দেন। (ইবনে মাজাহ-হাদীস নং ১৩৯০, তাবরানী মু’জামুল কাবীর) #লক্ষণীয় যে, এই হাদিসটা যদি সহিহও ধরে নেওয়া হয় তাহলেও এই হাদিস আমাদের কি নির্দেশনা দিচ্ছে? হাদিসে স্পষ্ট বলা হয়েছে- আল্লাহ তা’লা এ রাত্রে সকলকে ক্ষমা করে দেন শুধুমাত্র ক্ষমা করেননা যারা শির্ক করে ও যারা হিংসা-বিদ্বেষ করে বা ঝগড়ায় লিপ্ত থাকে। সুতরাং আপনি যদি আমল করতেই চান তবে আপনার জন্য আমল এই যে, আপনাকে শির্ক আর হিংসা-বিদ্বেষ থেকে মুক্ত থাকতে হবে, অথচ আপনি হাদিসে বর্ণিত আমল না করে মনগড়া ভাবে সলাত আদায় এবং সিয়াম পালন শুরু করলেন, কে দিলো এগুলো করার অনুমতি? আল্লাহ ও তার রাসুল(সাঃ) থেকে আপনার কাছে কোন অনুমোদন আছে কি এগুলো করার? শবে বরাত বিষয়ে বর্ণিত সব জাল-জইফ হাদিসের মধ্যে এই হাদিসটিকে কিছু মুহাদ্দিস গ্রহণযোগ্য বলেছেন কিন্তু এই হাদিস দ্বারা সলাত আদায় করা বা সিয়াম পালন করা বা অন্যান্য ইবাদত করার কোনই প্রমাণ আছে কি? সুতরাং এগুলো না করে শির্ক আর হিংসা-বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকুন তাহলে এ রাত্রে আল্লাহ তা’লা আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন ইন-শা-আল্লাহ আর যদি আপনি এ রাত্রে বিদাতে লিপ্ত হন তবে জেনে রাখুন, বিদাতকারীদের পরিণাম শুভ নয়।

Md Gias 4 months ago 7

ভাইয়েরা অনেকে গালা গালি করে কথা বলেন উনিতো কাউকে কোন খারাপ বলেন নাই। আপনাদের কাছে যদি কুরান ও হাদীসের কোন ব্যাখ্যা থাকে শবে,বরাত সম্প্রকে তাহলে উপস্থাপন করতে পারেন।এটাই হচ্ছে ইসলামের নিয়ম।

Shamim Shilpi Ahmed 4 months ago 3

"আমি তোমাদের মাঝে দুইটি জিনিস রেখে গেলাম ১. কোরআন ২. আমার জীবনাদর্শ (সুন্নাহ) ঐ দুটি জিনিস থেকে যদি তোমরা কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারো তাহলে ইজমা ও কিয়াসের দ্বারা মজলিশ এ সূরার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে উপনিত হইয়ো --- " বিদায় হজ্বের ভাষনের অংশ শবেবরাত/ভাগ্য রজনী/ শাবান মাসের মধ্য রাত/ ভাগ্যর হালখাতা ইত্যাদি নামের দিনটি নিয়ে কেন এত সমালোচনা আপনারা যারা আলেম, ওলামাগণ আছেন এক সাথে বসে সিদ্ধান্ত দিন, এলোমেলো কথা বলে হাত তালি নেয়ার দরকার কি ?

Alif Alif 4 months ago 1

Naojubillah...ai daroner khata kibabe bolte pare...jodi boke sokti take tahole challenge asen....manus ke islam teke bibbranto teke dore rakon...allah apnake hedaiat karok

Shafiq Khan 4 months ago 11

17বছর ধরে সৌদি আরবে আছি।কোন দিন শবের বরাত পালন করতে দেখলামনা। বুঝতে পারিনা তাদের হুজুরেরা কি কিছু বুঝেনা নাকি ।

Md Gias 4 months ago 10

ইসলাম কোন বাব দাদাদের ধর্ম নয় বা কোন রাম বামের ধর্ম নয় যখনই সত্য পাওয়া যাবে ঐটাকে গ্রহন করতে হবে।

Shibo Saha 4 months ago 4

সারা বিসসে জত মুসল্মান আছে সব ভুয়া,,একমাত্র বাংলাদেসের মুসল মান রাই খাটি মুসল্মান,,সালা পাগল কাঠ মুল্লা।।এ গুলিরে দাওয়াত দেওয়া বন্ধ কইরা দেন দেখবেন না খাইয়া মরব।

Md Monirul Islam 4 months ago 5

রাজজাক ভাই খালি মাঠে গুল দিয়ে লাভ কি সাহস থাকলে আলেমদের সাথে বসেন সুদু আওয়াম লোকদের কে গোমরা করেন আপনার আলোচনায় অনেক ভুল আছে

Fokrul Islam 4 months ago 3

মানুষ নাজেনে না বুজে শবেবরাত নিয়ে ব্যাস্ত কুন্তু লাইলাতুল কদর নিয়ে কুনু চিন্তা নাই আসল থইয়া নখল নিয়ে বাড়াবাড়ি আল্লাহ হেদায়াত দানকরুন

Shamim Shilpi Ahmed 4 months ago 1

🖊দুই সময় ইবাদত নিষিদ্ধ ১. সূর্য উদয় হওয়ার সময় ২. সূর্য অস্তের সময় ✏️দুই দিন রোজা রাখা হারাম মানে দুই ঈদের সময় 🖌দান করার ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোন দিন নেই জীবনে এই প্রথম হুজুরগণ, Facebook user গণ কেন যে শবেবরাত/ভাগ্য রজনী/ শাবান মাসের মধ্য রাত/ ভাগ্যর হালখাতা ইত্যাদি নামের দিনটি নিয়ে এত সমালোচনা করছে বুঝতে পারছি না । আমাদের সমস্যা হলো ভাত খাওয়ার সময় "বিছমিল্লাহ্" বলি না কিন্তু খাবার শেষে মিষ্টি খাওয়া সুন্নত এটা আবার মানি/মানতে ইচ্ছে করে । কোন মানুষ যদি রাতে ইবাদত করে সময় পার করে অথবা দিনে রোজা রাখে, হারাম কিছুতো করছে না !

Parvez Alam 4 months ago 0

বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষ বুঝতে চায়না শিয়ারা আমাদের ধর্মের উপর কতটুকু প্রভাব ফেলেছে আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝার তৌফিক দান করুন আমিন

Mohammad Aminur 4 months ago 0

সূরা কদর:1 - আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে।সূরা কদর:2 - শবে-কদর সমন্ধে আপনি কি জানেন?সূরা কদর:3 - শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।সূরা কদর:4 - এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহসূরা কদর:5 - এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।

MD Mamun Ahammed MV 4 months ago 0

বেআদব আবার আলেম হয় কি করে ॥? রাসূল স: এর দাত বেঙগে গেছে ! শহীদ হয়েছে বললে কি হয় ? বেআদব রাসূল স: দাত ভেঙ্গ গেছে হালুয়া রুটি খায় কি করে !? এটা কেমন বাক্য । আর জাল হাদিস এই বিষয় দিয়ে লাভ কি মানুষের ? আস্তা বেআদব

Harunur Rashid Talukdar 4 months ago 0

আবদুল রাজ্জাক সাহেব আল্লাহর বান্দা হয়ে আল্লাহ এবাদত করা থেকে মানুষকে বিরত রাখা আপনাদের মতো আলেমদের কত টুকু উচিত একটু ভেবে দেখুন? মানুষকে আল্লাহর এবাদতে উৎসাহিত করুন ।

Harunur Rashid Talukdar 4 months ago 0

ভাই কোন অন্ধ ব্যক্তিকে যদি কেহ জিজ্ঞাসা করে আগুন কি রকম ।সে হয়তো বলবে সাদা কাল লাল অথবা হলুদ ।তাঁকে আগুনের তাপ দেওয়া চাডা আগুনের ক্রিয়াকি সেটাও জানবেনা ।কারন সে আগুন কখনও দেখে নাই । দেখতে হবে আর জানতে হবে ।না হয়

M Shahid Islam 4 months ago 0

আপনি ডিলা করা বেযাদবি বলেছেন এইজন্য যদি নামাযের ক্ততি হয । আললাহর কাছে আপনি দাযি হবেন ।শবে বরাত আর কদরে অনেকেই ামাযের দিকে আসে আপনাদের বেদাত বলতে বলতে আর।ন ামাযের দিকে আর আসবেন না।এইজন্য আপনারা আললাহর কাছে দাযি হবেন ।

Forhadf Forhad 4 months ago 0

Amr kotha ektai j ei kotha ajke keno age ki hoesilo shala oaaj er name vondami cudash shala

Normal Driver 4 months ago 0

ভাই ভাষার উপর আমল করলে যদি বেদয়াত হয় আমি বলব ভাই তুমি মানুষটা বেদয়াত কারন তুমি বাংলায় শিক্কিত হয়েচ, তোমার বাংলা কুরআন ও হাদিসে আছে নাই তুমি নিজেই বেদয়াত,

Mosiur Islam 4 months ago 0

Are vai Jan apnito galagal diya murkhotar proman dilen Allah apnake hedayet koruk

Saim Azad 4 months ago 2

দেখ তোদের বাবারা কি বলে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কবলে শাবান ও শবে বরাত . এতদিন পর্যন্ত শবে বরাতকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণীর মানুষ বাড়াবাড়িতে লিপ্ত ছিল। তারা এ রাতটি উপলক্ষে নানা অনুচিত কাজকর্ম এবং রসম-রেওয়াজের অনুগামী হচ্ছিল। উলামায়ে কেরাম সবসময়ই এ সবের প্রতিবাদ করেছেন এবং এখনো করছেন। ইদানিং আবার এক শ্রেণীর মানুষের মধ্যে ছাড়াছাড়ির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাদের দাবী হল, ইসলামে শবে বরাতের কোন ধারণা নেই। এ ব্যাপারে যত রেওয়ায়েত আছে সব মওযু বা যয়ীফ। এসব অনুযায়ী আমল করা এবং শবে বরাতকে বিশেষ কোন ফযীলতপূর্ণ রাত মনে করা শরীয়তের দৃষ্টিতে জায়েয নয়। তারা এসব বক্তব্য সম্বলিত ছোটখাট পুস্তিকা ও লিফলেট তৈরী করে মানুষের মধ্যে বিলি করে। বাস্তব কথা হল, আগেকার সেই বাড়াবাড়ির পথটিও যেমন সঠিক ছিল না, এখনকার এই ছাড়াছাড়ির মতটিও শুদ্ধ নয়। ইসলাম ভারসাম্যতার দ্বীনএবং এর সকল শিক্ষাই প্রান্তকতা মুক্ত সরল পথের পথ নির্দেশ করে। শবে বরাতের ব্যপারে সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান হল, এ রাতের ফযীলত সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সম্মিলিত কোন রূপ না দিয়ে এবং এই রাত উদযাপনের বিশেষ কোন পন্থা উদ্ভাবন না করে বেশি ইবাদত করাও নির্ভরযোগ্য রেওয়াত দ্বারা প্রমাণিত। এই রাতকে অন্য সব সাধারণ রাতের মতো মনে করা এবং এই রাতের ফযীলতের ব্যাপারে যত হাদীস এসেছে, তার সবগুলোকে মওযু বা যয়ীফ মনে করা ভুল যেমন অনুরূপ এ রাতকে শবে কদরের মত বা তার চেয়েও বেশি ফযীলতপূর্ণ মনে করাও ভিত্তিহীন ধারণা। এখানে শবে বরাতের (পনের শাবানের রাত) ফযীলত ও করণীয় বিষয়ক কিছু হাদীস যথাযথ উদ্ধৃতি ও সনদের নির্ভরযোগ্যতার বিবরণ সহ উল্লেখ করা হল। ১ম হাদীসঃ عن مالك من يخامر , عن معاذ بن جبل, عن النبى (, قال : يطلع الله الى خلقه فى ليلة النصف من شعبان, فيغفر لجميع خلقه إلا لمشرك أو مشاحن ]رواه ابن حبان وغيره, ورجاله ثقات, وإسناده متصل غلى مذهب مسلم الذى هو مذهب الحمهورفى المعنعن, ولم يحزم الذهبى بأن مكحولالم يلق مالك بن يخامر كما زعم, وإنما قاله على سبيل الحسان, راجع ,سبر أعلام النبلاء মুআয ইবনে জাবাল বলেন, নবী করীম স. ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে (শাবানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে) সৃষ্টির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন। এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হচ্ছে যে, এ রাতে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রহমত ও মাগফেরাতের দ্বারা ব্যপকভাবে উন্মুক্ত হয়। কিন্তু শিরকি কাজ-কর্মে লিপ্ত ব্যক্তি এবং অন্যের ব্যাপারে হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী মানুষ এই ব্যপক রহমত ও সাধারণ ক্ষমা থেকেও বঞ্চিত থাকে। যখন কোন বিশেষ সময়ের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রহমত ও মাগফেরাত ঘোষণা হয়, তখন তার অর্থ এই হয় যে, এই সময় এমন সব নেক আমলের ব্যাপারে যত্নবান হতে হবে যার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাতের উপযুক্ত হওয়া যায় এবং ঐ সব গুণাহ থেকে বিরত থাকতে হবে। এ কারণে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রহমত ও মাগফেরাত থেকে বঞ্চিত হয়। যেহেতু উপরোক্ত হাদীস এবং অন্যান্য হাদীসে অর্ধ-শাবানের রাতে ব্যাপক মাগফেরাতের ঘোষণা এসেছে, তাই এ রাতটি অনেক পূর্ব থেকেই শবে বরাত তথা মুক্তির রজনী নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। কেননা, এ রাতে গুনাহসমূহ থেকে মুক্তি লাভ হয় এবং পাপের অশুভ পরিণাম থেকে রেহাই পাওয়া যায়। যদি শবে বরাতের ফযীলতের ব্যাপারে দ্বিতীয় কোন হাদীস না থাকত, তবে এই হাদীসটিই এ রাতের ফযীলত সাব্যস্ত হওয়ার জন্য এবং এ রাতে মাগফেরাতের উপযোগী নেক আমলের গুরুত্ব প্রমাণিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট হত। অথচ হাদীসের কিতাবসমূহে নির্ভরযোগ্য সনদে এ বিষয়ক আরো একাধিক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। . হাদীসটির সনদ বা সূত্র বিষয়ক আলোচনা . উপরোক্ত হাদীসটি অনেক নির্ভরযোগ্য হাদীসের কিতাবেই নির্ভরযোগ্য সনদের মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে হিব্বান তার কিতাবু সহীহ এ (যা সহীহ ইবনে হিব্বান নামেই সমধিক প্রসিদ্ধ, ১৩/৪৮১ এ) এই হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন। এটি এই কিতাবের ৫৬৬৫ নং হাদীস। এ ছাড়া ইমাম বাইহাকী (রহঃ) শুআবুল ঈমান এ (৩/৩৮২, হাদীস ৩৮৩৩); ইমাম তাবরানী আলমুজামুল কাবীর ও আলমুজামুল আওসাত এ বর্ণনা করেছেন। এ ছাড়াও আরো বহু হাদীসের ইমাম তাদের নিজ নিজ কিতাবে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। হাদীসটির সনদ সহীহ। এজন্যই ইমাম ইবনে হিব্বান একে কিতাবুস সহীহ এ বর্ণনা করেছেন। কেউ কেউ হাদীসটিকে পারিভাষিক দৃষ্টিকোণ থেকে হাসান বলেছেন; কিন্তু হাসান হাদীন সহীহ তথা নির্ভরযোগ্য হাদীসেরই একটি প্রকার। ইমাম মনযিরী, ইবনে রজব, নূরুদ্দীন হাইসামী, কাস্‌তাল্লানী, যুরকানী এবং অন্যান্য হাদীস বিশারদ এই হাদীসটিকে আমলযোগ্য বলেছেন। দেখুন আততারগীব ওয়াততারহীব ২/১৮৮; ৩/৪৫৯. লাতায়েফুল মাআরিফ ১৫১; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৮/৬৫; শারহুল মাওয়াহিবিল লাদুন্নিয়্যা ১০/৫৬১। বর্তমান সময়ের প্রসিদ্ধ শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) সিলসিলাতুল আহাদসিস্‌ সাহীহা ৩/১৩৫-১৩৯ এ এই হাদীসের সমর্থনে আরো আটটি হাদীস উল্লেখ করার পর লেখেনঃ وجملة القول أن الحديث بمجموع هذه الطرق صحيح بلاريب. والصحة تثبت بأقل منها عددا، مادامت سالمة من الضعف الشديد، كماهو الشأن فى هذاالحديث . এ সব রেওয়াতের মাধ্যমে সমষ্টিগত ভাবে এই হাদীসটি নিঃসন্দেহে সহীহ প্রমাণিত হয়। তারপর আলবানী (রহঃ) ওই সব লোকের বক্তব্য খন্ডন করটা, যারা কোন ধরণের খোঁজখবর ছাড়াই বলে দেন যে, শবে বরাতের ব্যাপারে কোন সহীহ হাদীস নেই। . ইদানিং আমাদের কতক সালাফী বা আহলে হাদিস বন্ধুকে দেখা যায়, তারা নানা ধরণের লিফলেট বিলি করেন। তাতে লেখা থাকে যে, শবে বরাত (লাইলাতুল নিস্‌ফি মিন শাবান) এর কোন ফযীলতই হাদীস শরীফে প্রমাণিত নেই। ওই সব বন্ধুরা শায়খ আলবানী (রহঃ) এর গবেষণা ও সিদ্ধান্ত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। কেননা, তাদেরকে আলবানী (রহঃ) এর বড় ভক্ত মনে হয় এবং তার কিতাবাদি অনুবাদ করে প্রচার করতে দেখা যায়। আমি ওই সব ভাইদের কাছে বিনীতভাবে আরজ করতে চাই যে, আপনারা যদি শায়খ ইবনে বাযের অনুসরণে বা নিজেদের তাহ্‌কীক মতো এই রাতের ফযীলতকে অস্বীকার করতে পারেন তাহলে যারা উপরোক্ত মুহাদ্দিস ও ফকীহগণের অনুসরণে উল্লেখিত হাদীসটির ভিত্তিতে এই রাতের ফযীলতের বিশ্বাস পোষণ করেন এবং সব ধরণের বেদআত রসম-রেওয়াজ পরিহার করে নেক আমলে মগ্ন থাকার চেষ্টা করেন তারাই এমন কি অপরাধ করে বসলেন যে, আপনাদেরকে তাদের পেছনে লেগে থাকতে হবে? এবং এখানকার উলামায়ে কেরামের দলীলভিত্তিক সিদ্ধান্তের বিপরীতে অন্য একটি মত যা ভুলের সম্ভাবনার উর্ধ্বে নয়, তা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার করে তাদেরকে আলেম-উলামার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আস্থাহীন করা এবং বাতিলপন্থিদের মিশন সফল করতে সহায়তা দেওয়া কি সত্যিকার অর্থেই খুব বেশি প্রয়োজন? এতে তো কোন সন্দেহ নেই যে, আপনারা আপনাদের মতটিকে খুব বেশি হলে একটি ইজতেহাদী ভুল-ভ্রান্তির সম্ভাবনাযুক্তই মনে করেন এবং নিশ্চয়ই আপনারা আপনাদের মতটিকে একেবারে ওহীর মতো মনে করেন না। একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন, এরপর আপনাদের এই অবস্থানের যৌক্তিক কোন ব্যাখ্যা আর থাকে কি না? আপনাদের প্রতি আমার সর্বশেষ অনুরোধ এই যে, দয়া করে এ রাতের ফযীলত ও আমল সম্পর্কে শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) [মৃ. ৭২৮ হিঃ] এর ইক্‌তিযাউস সিরাতিল মুস্তাকিম/৬৩১-৬৪১ এবং ইমাম যায়নুদ্দীন ইবনে রজব (রহঃ) [মৃ. ৭৯৫] এর লাতায়েফুল মাআরেফ ১৫১-১৫৭ পড়ুন এবং ভেবে দেখুন যে, তাদের এই দলীলনির্ভর তাহকীক অনুসরণযোগ্য, না শায়খ ইবনে বায (রহঃ) এর একটি আবেগপ্রসূত মতামত? যা হয়ত তিনি শবে বরাত নিয়ে জাহেল লোকদের বাড়াবাড়ির প্রতিকার হিসেবেই ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু এ কথা স্পষ্ট যে, বাড়াবাড়ির প্রতিকার কোন বাস্তব সত্য অস্বীকার করে নয়; বরং সত্য বিষয়টির যথাযথ উপস্থাপনের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। . এই রাতের আমল —————— উল্লেখিত হাদীস শরীফে এ রাতের কী কী আমলের নির্দেশনা-ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তা আমি ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি। নিম্নে এ বিষয়ে আরেকটি হাদীস পেশ করছি। হযরত আলা ইবনুল হারিস (রহঃ) থেকে বর্ণিত, হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ (স) রাতে নামাযে দাঁড়ান এবং এত দীর্ঘ সেজদা করেন যে, আমার ধারণা হল তিনি হয়ত মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি তখন উঠে তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম। তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল। যখন তিনি সেজদা থেকে উঠলেন এবং নামায শেষ করলেন তখন আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আয়েশা অথবা বলেছেন, ও হুমাইরা, তোমার কি এই আশংকা হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল তোমার হক নষ্ট করবেন? আমি উত্তরে বললাম, না, ইয়া রাসূলুল্লাহ। আপনার দীর্ঘ সেজদা থেকে আমার এই আশংকা হয়েছিল, আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিনা। নবীজী জিঞ্চেস করলেন, তুমি কি জান এটা কোন রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও তার রাসূলই ভাল জানেন। রাসূলুল্লাহ (স) তখন ইরশাদ করলেন, هذه ليلة النصف من شعبان ان الله عزو جل يطلع على عباده فى ليلة النصف من شعبان فيغفر للمستغفرينويرحمالمشترحمين ويؤخر اهل الحقد كماهم ‘এটা হল অর্ধ শাবানের রাত (শাবানের চৌদ্দ তারিখের দিবাগত রাত)। আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে তার বান্দার প্রতি মনযোগ দেন এবং ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন এবং অনুগ্রহ প্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই।‘ [শুআবুল ঈমান, বাইহাকী ৩/৩৮২-৩৬৮] ইমাম বাইহাকী (রহঃ) এই হাদীসটি বর্ণনার পর এর সনদের ব্যাপারে বলেছেন, هذا مرسل جيد এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয়, এ রাতে দীর্ঘ নফল পড়া, যাতে সেজদাও দীর্ঘ হবে, শরীয়তের দৃষ্টিতে কাম্য। তবে মনে রাখতে হবে যে, অনেক অনির্ভরযোগ্য ওয়ীফার বই-পুস্তকে নামাযের যে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন লেখা আছে অর্থাৎ এত রাকআত হতে হবে, প্রতি রাকআতে এই সূরা এতবার পড়তে হবে - এগুলো ঠিক নয়। হাদীস শরীফে এসব নেই। এগুলো মানুষের মনগড়া পন্থা। সঠিক পদ্ধতি হল, নফল নামাযের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী দুই রাকআত করে যত রাকআত সম্ভব হয় পড়তে থাকা। কুরআন কারীম তেলওয়াত করা। দরূদ শরীফ পড়া। ইস্‌তেগফার করা। দুআ করা এবং কিছুটা ঘুমের প্রয়োজন হলে ঘুমানো। এমন যেন না হয় যে, সারা রাতের দীর্ঘ ইবাদতের ক্লান্তিতে ফজরের নামায জামাআতের সাথে পড়া সম্ভব হল না। . পরদিন রোযা রাখা ——————— সুনানে ইবনে মাজায় বর্ণিত হয়েছে عن على بن ابى طالب رضى الله عنه قال : قال رسول الله (() : إذا كانت ليلة النصف من شعبان فقوموا ليلها وصوموا نهارها, فإن الله ينزل فيهالغروب الشمس الى سماء الدنيا, فيقول : ألا من مستغفر فاغفر له على مستزرق فأرزقه, ألا مبتلى فأعافيه , ألا كذا, ألا كذا, حتى يطلع الفجر হযরত আলী ইবনে আবু তালেব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন, জ্ঞপনের শাবানের রাত (চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত) যখন আসে তখন তোমরা এ রাতটি ইবাদত-বন্দেগীতে কাটাও এবং দিনের বেলা রোযা রাখ। কেননা, এ রাতে সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তাআলা প্রথম আসমানে আসেন এবং বলেন, কোন ক্ষমাপ্রার্থী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করব। আছে কি কোন রিযিক প্রার্থী? আমি তাকে রিযিক দেব। এভাবে সুব্‌হে সাদিক পর্যন্ত আল্লাহ তাঞ্চআলা মানুষের প্রয়োজনের কথা বলে তাদের ডাকতে থাকেন।ঞ্চ [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৩৮৪] এই বর্ণনাটির সনদ যয়ীফ। কিন্তু মুহাদ্দিসীন কেরামের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল, ফাযায়েলের ক্ষেত্রে যয়ীফ হাদীস গ্রহণযোগ্য। তাছাড়া শাবান মাসে বেশি বেশি নফল রোযা রাখার কথা সহীহ হাদীসে এসেছে এবং আইয়ামে বীয অর্থাৎ প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা রাখার বিষয়টিও সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। বলা বাহুল্য, পনের শাবানের দিনটি শাবান মাসেরই একটি দিন এবং তা আয়্যামে বীযের অন্তর্ভূক্ত। এজন্য ফিক্‌হের একাধিক কিতাবেই এদিনে রোযাকে মুস্তাহাব বা মাসনূন লেখা হয়েছে। আবার অনেকে বিশেষভাবে এ দিনের রোযাকে মুস্তাহাব বা মাসনুন বলতে অস্বীকার করেছেন। এ প্রসঙ্গে হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ ত্বাকী উসমানী (দাঃবাঃ) তার ইসলাহী খুতুবাতে বলেন, ‘আরো একটি বিষয় হচ্ছে শবে বরাতের পরবর্তী দিনে অর্থাৎ শাবানের পনের তারিখে রোযা রাখা। গভীরভাবে বিষয়টি উপলব্ধি করা প্রয়োজন। হাদীসে রাসুলের বিশাল ভান্ডার হতে একটি মাত্র হাদীস এর সমর্থনে পাওয়া যায়। তাতে বলা হয়েছে, -শবে বরাতের পরবর্তী দিনটিতে রোযা রাখ।‘ সনদ বর্ণনার সূত্রের দিক থেকে হাদীসটি দুর্বল। তাই এ দিনের রোযাকে এই একটি মাত্র দুর্বল হাদীসের দিকে তাকিয়ে সুন্নাত বা মুস্তাহাব বলে দেওয়া অনেক আলেমের দৃষ্টিতে অনুচিত।’ তবে হ্যাঁ, শাবানের গোটা মাসে রোযা রাখার কথা বহু হাদীসে পাওয়া যায়। অর্থাৎ ১ শাবান থেকে ২৭ শাবান পর্যন্ত রোযা রাখার যথেষ্ট ফযীলত রয়েছে। কিন্তু ২৮ ও ২৯ তারিখে রোযা রাখতে রাসূলুল্লাহ (স) নিজেই বারণ করেছেন। ইরশাদ করেন, রমযানের দুএকদিন পূর্বে রোযা রেখো না।ঞ্চ যাতে রমযানের পূর্ণ স্বস্তির সাথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায়। কিন্তু ২৭ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিনের রোযাই অত্যন্ত বরকতপূর্ণ। একটি লক্ষ্যণীয় ব্যাপার হচ্ছে যে, শাবানের এই ১৫ তারিখটি তো ‘আইয়ামে বীয’ এর অন্তর্ভূক্ত। আর নবীজী প্রতি মাসের আইয়ামে বীয এ রোযা রাখতেন। সুতরাং যদি কোন ব্যক্তি এই দুটি কারণকে সামনে রেখে শাবানের ১৫ তারিখের দিনে রোযা রাখে যা আইয়ামে বীয এর অন্তর্ভূক্ত, পাশাপাশি শাবানেরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন, তবে ইনশাআল্লাহ নিশ্চয়ই সে প্রতিদান লাভ করবে। তবে শুধু ১৫ শাবানের কারণে এ রোযাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে সুন্নাত বলে দেওয়া অনেক আলেমের মতেই সঠিক নয়। আর সে কারণেই অধিকাংশ ফুকাহায়ে কেরাম মুস্তাহাব রোযার তালিকায় মুহাররমের ১০ তারিখ ও আইয়ামে আরাফা (যিলহজ্জের ৯ তারিখ) এর কথা উল্লেখ করেছেন অথচ শাবানের ১৫ তারিখের কথা পৃথকভাবে কেউই উল্লেখ করেননি। বরং তারা বলেছেন, শাবানের যে কোন দিনই রোযা রাখা উত্তম। সুতরাং এ সকল বিষয়ের দিকে দৃষ্টি রেখে যদি কেউ রোযা রাখে তরে ইনশাআল্লাহ সে সওয়াব পাবে। তবে মনে রাখতে হবে যে, রোজা রাখার ব্যাপারে এ মাসের নির্দিষ্ট কোন দিনের পৃথক কোন বৈশিষ্ট নেই। . এ রাতের নফল আমলসমূহ সম্মিলিত নয়, ব্যক্তিগত ———————————— এ রাতের নফল আমলসমূহ, বিশুদ্ধ মতানুসারে একাকীভাবে করণীয়। ফরয নামাযতো অবশ্যই মসজিদে আদায় করতে হবে। এরপর যা কিছু নফল পড়ার তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বে। এসব নফল আমলের জন্য দলে দলে মসজিদে এসে সমবেত হওয়ার কোন প্রমাণ হাদীস শরীফেও নেই আর সাহাবায়ে কেরামরে যুগেও এর রেওয়াজ ছিল না। [ইক্‌তিযাউস সিরাতিল মুসতাকীম ২/৬৩১-৬৪১; মারাকিল ফালাহ ২১৯] তবে কোন আহবান ও ঘোষণা ছাড়া এমনিই কিছু লোক যদি মসজিদে এসে যায়, তাহলে প্রত্যেকে নিজ নিজ আমলে মশগুল থাকবে, একে অন্যের আমলের ব্যাঘাত সৃষ্টির কারণ হবে না। কোন কোন জায়গায় এই রেওয়াজ আছে যে, এ রাতে মাগরিব বা ইশার পর থেকেই ওয়াজ-নসীহত আরম্ভ হয়। আবার কোথাও ওয়াজের পর মিলাদ-মাহফিলের অনুষ্ঠান হয়। কোথাও তো সারা রাত খতমে-শবীনা হতে থাকে। উপরন্তু এসব কিছুই করা হয় মাইকে এবং বাইরের মাইকও ছেড়ে দেওয়া হয়। মনে রাখতে হবে, এসব কিছুই ভুল রেওযাজ। শবে বরাতের ফাযায়েল ও মাসায়েল আগেই আলোচনা করা যায়। এ রাতে মাইক ছেড়ে দিয়ে বক্তৃতা-ওয়াজের আয়োজন করা ঠিক না। এতে না ইবাদতে আগ্রহী মানুষের পক্ষে ঘরে বসে একাগ্রতার সাথে ইবাদত করা সম্ভব হয়, আর না মসজিদে। অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আরামেরও মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে। আল্লাহ আমাদের এসব ভুল কাজকর্ম পরিহার করার তাওফীক দিন। . -- মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক দামাত বারাকাতুহুম, আমীনুত তালীম, মারকাযুদ্দাওয়াহ আল ইসলামীয়া, ঢাকা । . [ মাসিক আলকাউসার, শাবান ’২৬, সেপ্টেম্বর ’০৫ ]

Rezaul Karim Bhuiyan 4 months ago 0

asob jahel ar alim ar karone somaje fitnar sistey hocce razzak shaheb jodi ato gane ha tahole ja alim bole sobo borat karan hadise ace tini jen she alim ar sathe bosen qale jaka bose fitu dewa ja alim ar sathe bosen sob koce clear haye jave oni jodi alim ar sathe na bosen oni jen bol futu na de

Alam Khan 4 months ago 0

Sayek rajjaker jonno boro jahanam Allah banyse SE moslimke doka detection take sob somoy

Majed Asraf 4 months ago 0

Amader mosjider imam sahab bllen shababart rate namaz porle onek fajilat ach6?r apni bolehan ktao lika nai dolil pas koren hujur..

Ads
Advertisement

www.fbvids.net is a free online Facebook Video Downloader. This tool generate video download link to save Facebook videos online without any install required. Video download is available in two resolution wherever available i.e. High-Definition (HD) videos and Standard-Definition (SD) videos. HD videos are better than SD videos in terms of quality and also bulkier in file size.

Both formats can be played on wide range of devices like MAC, PC, laptop, mobiles, etc. Download links may be served via SSL (HTTPs) protocol for better security Each link is valid for 3 hours maximum after that it will expire and not work. To download video again, simply enter the FB video URL in the input box above and generate the download link by clicking on 'Download' button. Download service is totally free and there is no limit on the number of downloads

Note: www.fbvids.net does NOT have anything to do with Facebook Inc. Facebook trade mark is the property of Facebook Inc. All trademark belongs to their respective owners.